আন্দোলনকারীদের পাঁচ দফা দাবি মেনে নিয়ে বিজ্ঞপ্তি

আন্দোলনকারীদের পাঁচ দফা দাবি মেনে নিয়ে বিজ্ঞপ্তি

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ছাত্র আবরার ফাহাদ হত্যার ঘটনায় আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের পাঁচ দফা দাবি মেনে নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। আজ শনিবার দুপুরে এ বিষয়ে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে বুয়েট কর্তৃপক্ষ।

যেসব দাবি মেনে নেওয়া হয়েছে, তা হলো: হত্যাকাণ্ডে জড়িত সবাইকে সাময়িক বহিষ্কার করা হবে এবং পরে অভিযোগপত্রে যাঁদের নাম আসবে, তাঁদের স্থায়ীভাবে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার করা হবে; আবরার হত্যা মামলার সব খরচ বুয়েট প্রশাসন বহন করবে ও তাঁর পরিবারকে পর্যাপ্ত ক্ষতিপূরণ দিতে বুয়েট প্রশাসন বাধ্য থাকবে; বুয়েটে সব রাজনৈতিক সংগঠন এবং এর কার্যক্রম নিষিদ্ধ; বুয়েটে র‌্যাগের নামে নির্যাতনের ঘটনাসংক্রান্ত অভিযোগ প্রকাশের জন্য একটি ওয়েব পোর্টাল তৈরি করা ও অভিযোগ দ্রুত নিষ্পত্তি এবং সব হলের দুই পাশে প্রতি ফ্লোরে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা।
প্রথম আলো
বাংলাদেশ
বাংলাদেশঢাকা
আন্দোলনকারীদের পাঁচ দফা দাবি মেনে নিয়ে বিজ্ঞপ্তি
নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা
১২ অক্টোবর ২০১৯, ১৪:৫২
আপডেট: ১২ অক্টোবর ২০১৯, ১৪:৫৯

আবরার ফাহাদ হত্যার বিচারসহ ৫ দফা দাবিতে বুয়েটে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ। ছবি: শুভ্র কান্তি দাশ
আবরার ফাহাদ হত্যার বিচারসহ ৫ দফা দাবিতে বুয়েটে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ। ছবি: শুভ্র কান্তি দাশ
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ছাত্র আবরার ফাহাদ হত্যার ঘটনায় আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের পাঁচ দফা দাবি মেনে নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। আজ শনিবার দুপুরে এ বিষয়ে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে বুয়েট কর্তৃপক্ষ।

যেসব দাবি মেনে নেওয়া হয়েছে, তা হলো: হত্যাকাণ্ডে জড়িত সবাইকে সাময়িক বহিষ্কার করা হবে এবং পরে অভিযোগপত্রে যাঁদের নাম আসবে, তাঁদের স্থায়ীভাবে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার করা হবে; আবরার হত্যা মামলার সব খরচ বুয়েট প্রশাসন বহন করবে ও তাঁর পরিবারকে পর্যাপ্ত ক্ষতিপূরণ দিতে বুয়েট প্রশাসন বাধ্য থাকবে; বুয়েটে সব রাজনৈতিক সংগঠন এবং এর কার্যক্রম নিষিদ্ধ; বুয়েটে র‌্যাগের নামে নির্যাতনের ঘটনাসংক্রান্ত অভিযোগ প্রকাশের জন্য একটি ওয়েব পোর্টাল তৈরি করা ও অভিযোগ দ্রুত নিষ্পত্তি এবং সব হলের দুই পাশে প্রতি ফ্লোরে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা।

৬ অক্টোবর রাত ৩টার দিকে শেরে বাংলা হল থেকে তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক প্রকৌশল (ইইই) বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ওই রাতে হলের ২০১১ নম্বর কক্ষে আবরারকে পিটিয়ে হত্যা করেন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতা। হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ১৯ জনকে আসামি করে পরের দিন সন্ধ্যার পর চকবাজার থানায় একটি হত্যা মামলা করা হয়। নিহত আবরারের বাবা বরকত উল্লাহ্ বাদী হয়ে মামলাটি করেন।

এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

administrator

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *